Sunday, 29 March 2020

করোনা ভাইরাস একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন

দ্বন্ড থেকেই সৃষ্টি!!!করোনা ভাইরাস একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে বিশ্ববাসীর জন্য। একদিকে এই পৃথিবী এবং প্রকৃতি মানুৃষের নিষ্ঠুর অত্যাচার থেকে যেমন মুক্ত পেয়েছে অপরদিকে মানুষ এখন অনেক সচেতন হয়েছে তাদের স্বাস্থ্য/সুস্থ্যতা নিয়ে। এই করোনা ভাইরাসের ইস্যূতে  আমরা যে পরিমান পরিস্কার-পরিছন্নতা নিয়ে সচেতন হয়েছি বোধ হয়ে এটা এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে এটাও সত্য এই করোনা ভাইরাসের ইস্যূতে নতুন তথ্য প্রযুক্তির চাহিদা অনকে বেড়েছে। যার বাস্তব উদাহারন আমরা দেখতে পাই অনলাইন মিটিং, অনলাইন পেমেন্ট, ই কুরিয়ার সার্ভিস, অনলাইন মার্কেট, অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি। ভবিষ্যতে আরও সম্ভাবনা বাড়বে নতুন টেক এবং হেলথ স্টার্টআপদের এবং মানুষ প্রস্তুতি নিবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের।


প্রশ্ন থেকেই  যাচ্ছে কারা এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পলিসিগত ভাবে সারা পৃথিবীকে লিড দেওয়ার চিন্তা করছে??? চীন, আমেরিকা না কোন নতুন কোন রাষ্ট্র। সময় এখন তাকিয়ে থাকার। যদিও এই ভাইরাসের কাছে অনেক ক্ষমতাধর রাষ্ট্র অসহায় পড়েছে...


আমাদের করনীয়/প্রস্তুতি কি:১. করোনা ভাইরাস নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করানো।২. রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকা এবং সরকারকে সহযোগিতা করা।৩. আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো।৪. অফিস, আদালত,ব্যবসা বাণিজ্যে তথ্য প্রযুক্তিতে নিয়ে আসা(অফিস সফটওয়ার, সাইবার সিকিউরিটি, মেশিন লার্নিং, আটিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সী, গুগুল প্রোডাক্টের ব্যবহার বাড়ানো).৫. সরকার বা রাষ্ট্র, দেশীয় টেক স্টার্টআপদের উৎসাহিত করে দেশীয় প্রোডাক্ট ব্যবহার করে উৎসাহ দিতে পারেন এবং সর্বক্ষেএে বাধ্যতামুলক করানো যেতে পারে। এর ফলে একদিকে যেমন দেশপ্রেম বাড়বে অন্যদিকে দেশীয় প্রযুক্তির সমৃদ্ধি বাড়বে। সবচেয়ে বড় বিষয় হবে আমাদের ডাটা আমাদের কাছে থাকবে।-----28.03.2020

ইন্জি: মো: হুমায়ুন কবীর পলাশসহযোগী সদস্য, বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি।সদস্য, আইসিটি সেল, আই.ডি.ই.বি.সাবেক ছাত্র, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।


Saturday, 28 March 2020

দক্ষতা নিয়ে আলোচনা


চীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ১২ বছর তাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলো। চীন সরকারের বক্তব্য ছিল, এত ছেলেমেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে কি করবে??? কোথায় চাকরি পাবে??? কেই বা চাকরী দিবে???এত হাজার হাজার বেকারকে চাকরী দেয়ার মত প্রতিষ্ঠান চীনে নেই। এই সময়টায় চীন ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক প্রশিক্ষন দিয়েছিল নানা ধরনের ট্রেড কোর্সে। স্বল্প মেয়াদী ট্রেড কোর্স শিখে চীনের ছেলেমেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে গেলো। প্রতিটি বাড়ি গড়ে উঠল একটা করে ছোট ছোট কারখানায়। পরিবারের সবাই সেখানে কাজ করে। বড় ফ্যাক্টরী করার আলাদা খরচ নেই। ফলে পন্যের উৎপাদন খরচ কমে গেলো।বর্তমানে যে কোন পন্য স্বস্তায় উৎপাদন করার সক্ষমতায় তাদের ধারে কাছে কেউ নেই। পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে চাইনিজ পন্যের প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে তারা বিশ্ব বানিজ্যের এক অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তি। উপযুক্ত মুল্য দিলে তারা এমন জিনিস বানিয়ে দেবে যার গ্যারান্টি আপনি চাইলে ১০০ বছরও দিতে পারবেন। বাংলাদেশে সিমফোনি, ওয়ালটনসহ বহু প্রতিষ্ঠান এই চায়নার বদৌলতেই কিছু করে খাচ্ছে। অপর দিকে বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে বেকার বানানোর কারখানা। এর আধুনিক নাম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতি বছরই দুই একটা নতুন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হচ্ছে আর বের হচ্ছে কয়েক হাজার বেকার। দল বেঁধে পড়ানো হচ্ছে বিবিএ, এমবিএ অথবা চিরচরিত সেই ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ানিং। এত বেকারের ভীড়ে চাকরী বাংলাদেশে একটি সোনার হরিন। কোম্পানীরাও এটা বুঝে। ফলে এই দেশের শিক্ষিত ছেলেরা প্রত্যাশা অনুযায়ী বেতন পায় না, চাকরী পায় না আর পেলেও সহ্য করতে হয় মালিক অথবা বসের নানাবিদ অদ্ভুত পরীক্ষা ও অপেশাদার আচরন। অবশ্য, দীর্ঘদিন বিভিন্ন জাতির শোষনের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে আমাদের জাতির জীবনে প্রবেশ করেছে ভৃত্যগিরির মানসিকতা। আমরা মনে করি স্যুট, টাই পড়ে কোন কাজ করতে পারলেই বুঝি সেখানেই জাতির সফলতা। এটা আসলে একটি অপ্রকাশ্য দৈন্যতা, যে কেউ স্বীকার করছেন না। এই দেশের অর্থনীতির জন্য সামনে খুব ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে।তাই, বাংলাদেশের উচিত চীনের মত একটা পদক্ষেপ নেয়া। চাকরী করে দেশের উন্নতি হয় না, আমাদের উদ্যোক্তা প্রয়োজন। তাই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন প্রয়োজন, গুরুত্ব দেয়া উচিত কর্মমুখী শিক্ষায়। সরকার একটু সচেতন হলেই খুব অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা এই দেশের চেহারা পালটে দিতে পারি।ধন্যবাদ

জীবন

সত্যিকারের জীবন কিন্তু প্রতিযোগিতার জীবন নয়। যেখানে কিন্তু কাউকে ঠেলে পেছনে ফেলে তোমায় এগিয়ে যেতে হবে না। সত্যিকারের জীবন হচ্ছে সহযোগিতার। সত্যিকার জীবনে তুমি যখন সত্যিকারের কাজ করবে তখন একে অন্যের সঙ্গে পাশাপাশি থেকে সাহায্য করবে। সেখানে কোনো প্রতিযোগিতা নেই।প্রতিযোগিতা শুধু একটি জায়গায় থাকে– সেটি হচ্ছে নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা। তুমি এখন যা, দেখি তুমি এক বছর পর সেখান থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পার কিনা।”

Friday, 27 March 2020

স্বপ্ন

স্বপ্ন জিনিশটা খুবই জরুরি। যেখানে স্বপ্ন নেই সেখানে দু:স্বপ্নের রাজত্ব হয়lআকাশ নিয়ে গবেষনায় যত অর্থ ব্যয় করা হয় তার একাংশ খরচ হয়না না সমুদ্র নিয়ে গবেষনায়। চিন্তাশীল মানুষদের কেউ কেউ বলেছিলেন চাদ ও মঙ্গলগ্রহে যাওয়ার চেষ্টা টিক আছে, কিন্তু তার চেয়েও অধিক জুরুরি সমুদ্রের দিকে দৃষ্টি দেওয়া। কেননা সমুদ্র মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাছাড়া সমুদ্রের নিচে যে সম্পদ রয়েছে তার যথাযথ ব্যবহার পৃথিবীতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটাতে পারে। এককালে উপনিবেশ গড়ার জন্য সমুদ্র ভারি দরকার ছিল,এখন ততটা নেই। যুদ্ধ এক সময়ে সমুদ্রেই হতো,এখন হয়না। যুদ্ধের জন্য এখন আকাশ অনেক বেশি উপযোগীl

Monday, 3 April 2017

Sabur Khan

Md. Sabur Khan is a businessman of Bangladesh. He was the chairman of Bangladesh Computer Society from 2002-2003. On 29 December 2012, he became the chairman of Dhaka Chamber of Commerce & Industry.Wikipedia

করোনা ভাইরাস একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন

দ্বন্ড থেকেই সৃষ্টি!!!করোনা ভাইরাস একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে বিশ্ববাসীর জন্য। একদিকে এই পৃথিবী এবং প্রকৃতি মানুৃষের নিষ্ঠুর অত্যাচার থেক...